সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‎জামালগঞ্জে টানা বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা, ব্যাপক ফসলহানি হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতা আজাদ মিয়া হত্যার দ্রুত ন্যায়বিচার চাই পণাতীর্থে লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ঢল শাল্লায় ‘সমন্বয়কের পিআইসি’ : ফসলহানির ঝুঁকির সঙ্গে মানুষের দুর্ভোগ সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি বাঁধের কাজ, শঙ্কায় কৃষক জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর

জগন্নাথপুরে নদী ভাঙনে বিলীনের পথে সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

  • আপলোড সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:০০:২৫ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ২৯-০১-২০২৬ ০৯:০১:১০ পূর্বাহ্ন
জগন্নাথপুরে নদী ভাঙনে বিলীনের পথে সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন
মোশাহজাহান মিয়া ::
কুশিয়ারা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর-বড়ফেছি সড়ক। ভাঙন কবলিত এই সরু সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। যে কোন সময় সড়কটি নদীগর্ভে তলিয়ে যাবে - এমন শঙ্কায় শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। বুধবার সরেজমিনে দেখা যায়, বড়ফেছি বাজার এলাকায় নদী ভাঙনরোধে ব্লক বসানোর কাজ চলছে। তবে এ কাজের পশ্চিম দিকে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে সড়কটি। যে সড়ক হচ্ছে অত্র অঞ্চলের মানুষের জগন্নাথপুর উপজেলা সদরে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। সড়কটি ভাঙতে ভাঙতে একেবারে সরু হয়ে রীতিমতো ঝুলে আছে। যে কোন সময় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। এই অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। পথচারী রহমত আলীসহ স্থানীয়রা জানান, ভাঙনের কবলে ঝুলে থাকা সড়কটি অংশটি যে কোন সময় নদীতে পড়ে গেলে অত্র অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। রাস্তার অংশটি বিলীন হওয়ার আগে এখানে নদী ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। আমিন উদ্দিনসহ এ রাস্তায় চলাচলকারী যানবাহনের চালকরা শঙ্কা প্রকাশ করে জানান, আমরা জানি যে কোন সময় রাস্তার অংশটি নদীতে পড়ে যাবে। তবুও অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জগন্নাথপুর উপজেলা কর্মকর্তা শেখ ফরিদ জানান, নদী ভাঙনের এ অংশেও কাজ চলছে। এ কাজ দৃশ্যমান নয়। একে বলে ডাম্পিং কাজ। নদীগর্ভে জিও টেক্স বস্তাভর্তি মাটি ফেলা হচ্ছে। বর্তমানে বালিমাটির অভাবে কাজে গতি কমেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই নদী ভাঙনরোধ কাজ শেষ হবে। তাহলেই রাস্তাটি আর ভাঙবে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ